ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার আর্টিকেল পাবলিশ হয়ে গেছে। পড়ুন।
AI
InfoNest AI Assistant ×
ওভারভিউ
টিপস
প্রশ্নোত্তর
সারসংক্ষেপ
মূল পয়েন্ট
কিভাবে করবো

👋 স্বাগতম!

উপরের যেকোনো প্রশ্নে ক্লিক করুন। আমি এই আর্টিকেল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারব।

AI চিন্তা করছে...

ফাইন্ড মাই ডিভাইস দিয়ে আপনার হারানো মোবাইল খুঁজে নিন: বিস্তারিত গাইড

google find my deviএর মাধ্যমে আপনার মোবাইল হারিয়ে যাওয়া কিংবা চুরি হওয়া থেকে রোধ করুন। তাই বিস্তারিত জেনে নিন google find my device সম্পর্কে।

বর্তমানে আপনার আমার হাতের মোবাইলটি হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন ব্যক্তিগত তথ্যের ভান্ডার। আর এসব মোবাইল চুরি/হারিয়ে গেলে সাথে সাথে উদ্ধার করতে হয়। এজন্য এখন মানুষজন তাদের মোবাইলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস সেট করে রাখে।

আমার নিজেরই আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের মোবাইলটি হারিয়ে যাবার পরও সহজে আর খুঁজে পায়নি।

তবে বর্তমানে প্রযুক্তি অনেক উন্নত হয়েছে। এখন আর মোবাইল হারানোর ভয় নেই। এমনকি হারিয়ে গেলেও সহজে উদ্ধার করতে পারবেন।

আবার দেখা যায় একেবারে উদ্ধার করতে না পারলেও আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যাতে কারো হাতে না যায় সেই তথ্যও আপনি কনট্রোল করতে পারবেন।

এখানে এই কনটেন্টটিতে আপনাদেরকে অতিরঞ্জিত কিছু বলবো না। কারণ শুরুতেই একটা কথা বলতে হবে সেটা হল আপনার মোবাইলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস ইন্সটল বা সেটআপ করা থাকা লাগবে।

অন্যথায় দেখা গেছে আপনি পুরো কনটেন্টটি পড়লেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার মোবাইলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপসটি সেট করা নেই।

তাহলে আপনাকে বিকল্প কিছু ভাবতে হবে সেটা হল বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আপনাকে ভাবতে হবে। থানায় গিয়ে জেনারেল ডায়েরি করা আপনার জন্য তখন বুদ্ধিমানের হবে।
যাইহোক চলুন আমরা আবার আমাদের পয়েন্টে চলে আসি।

Google Find My Device কী এবং এটি কেন প্রয়োজন?

আসলে বর্তমানে আধুনিক যুগে আমাদের প্রত্যেক বিষয় বস্তুর নির্দিষ্ট সিকিউরিটি চলে এসেছে। যেমন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চলাফেরায় নিরাপত্তা বীমা থাকে, স্বাস্থ্য বীমা ইত্যাদি থাকে।

ঠিক একইভাবে আপনার মোবাইলের নিরাপত্তার জন্য গুগল একটা চমৎকার সার্ভিস প্রোভাইড করে যাচ্ছে।

সেটা হলো আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন কোনভাবে হারিয়ে গেলে কিংবা খুঁজে না পেলে আপনি ফাইন্ড মাই ডিভাইস ব্যবহার করে সহজে আপনার মোবাইলটি খুঁজে নিতে পারবেন।

আর আর আমাদের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মোবাইল ফোন চুরি হওয়া খুবই সাধারণ একটা বিষয়।

কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় অনেকের ক্ষেত্রে একটা মোবাইল চুরি হয়ে যাওয়া বড় বিষয় হয় না। বিষয়টা হয় তথ্যের নিরাপত্তা।

আপনার আমার মোবাইলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সকল তথ্য, কন্টাক্ট নাম্বার, পরিবারের ছবিসহ বিভিন্ন সেনসিটিভ তথ্য থাকে।

ঠিক তখনই যদি আপনার মোবাইলটি হারিয়ে যায় কিংবা চুরি হয়ে যায় তাহলে আপনার এই তথ্যগুলো বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বলা চলে বেহাত হয়ে যায়।

এগুলোর চেয়েও আরও বড় বিষয় থাকে সেগুলো হলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাংকিং। বর্তমানে সবারই কম বেশি নগদ, বিকাশ, রকেট সহ নানা একাউন্ট থাকে।

তাই আপনার মোবাইলটি চুরি হয়ে গেলে বা হারিয়ে গেলে তখন ওই সিম কার্ডটি তুলতে দেরি হলে কোনভাবে যে কোন কিছু হয়ে যেতে পারেন।

তাই ডিজিটাল এই যুগের বর্তমান সেনসিটিভ বিষয়গুলো বিবেচনা করে এই ফাইন্ড মাই ডিভাইসটি খুবই প্রয়োজনীয়।

ফাইন্ড মাই ডিভাইসের যত ফিচার

এই সার্ভিসটি আপনি যখন ব্যবহার করবেন তখন আপনি ঠিক কি কি সুবিধা পাবেন এটি পাবেন তা এক নজরে দেখে নিতে পারেন।

সাধারণত মোবাইলটি যখন হারিয়ে যায় অর্থাৎ কমন একটা বিষয় থাকে সেটা হল আপনি মোবাইলটি কোথাও রেখেছেন কিন্তু এখন খুঁজে পাচ্ছেন না এক্ষেত্রে কেউ কল দিলে আপনার ফোন যদি সাইলেন্ট থাকে তাহলে কোন ভাবে রিং শোনা যাবে না।

এরকম জটিল ফিচারগুলোকে ফাইন্ড মাই ডিভাইস খুব সহজ করে দিয়েছে।

রিয়েল টাইম লোকেশন ট্র‌্যাকিং

ফোন চুরি হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তা খুঁজে পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ফিচারটি প্রয়োজন সেটা হল রিয়েল টাইমে লোকেশন ট্র‌্যাক করা।

গুগল ফাইন্ড মাই ডিভাইসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হচ্ছে রিয়েল টাইম লোকেশন ট্র্যাক করা।

আপনার ফোনটি যদি হারিয়ে যায় কিংবা চুরি হয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে আপনার আপনি অন্য ফোন থেকে ট্র্যাক করতে পারবেন।

কিভাবে তা করবেন সেটা নিচে সেটআপ গাইডে পেয়ে যাবেন। এখন এগুলো শুধুমাত্র ফিচার উল্লেখ করে যাচ্ছি।

আপনার ফোনটি যদি ইন্টারনেট কানেকশন এর সাথে থাকে তাহলে আপনি সাথে সাথে লাইভ ট্র্যাকের মাধ্যমে আপনার ফোনটি খুঁজে নিতে পারবেন।

এবং এখানে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ইন্টারেস্টিং ফিচার আছে সেটা হল ”ইনডোর ম্যাপিং”।

এটার মাধ্যমে আপনি খুঁজতে পারবেন আপনার মোবাইলটি যদি কোন বিল্ডিং এর ভিতরে থাকে তাহলে সেই বিল্ডিং এর কত নম্বর ফ্লোরে আছে তাও সহজে খুঁজে বের করা যায়।

অফলাইন ফাইন্ডিং নেটওয়ার্ক

এই ফিচারটি এখন আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন ২০২১ সালে প্রথম এই টপিক নিয়ে আর্টিকেল লিখি তখন এই ফিচারটি ছিল না।

তখন শুধুমাত্র অফলাইনে আপনার মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ইরেজ করা ছাড়া অফলাইনে তেমন কোন কন্ট্রোল ছিল না।

এখনকার আপডেট এ আপনার মোবাইলে যদি ইন্টারনেট কানেকশন নাও থাকে তাহলে আশেপাশের এন্ড্রয়েড ফোনের ব্লুটুথ এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলে কানেকশন করতে পারবেন।

এবং একই সাথে এই ব্লুটুথ সিগন্যাল পাঠিয়ে আপনার মোবাইলের লোকেশনটি আপনি বের করে নিতে পারবেন।

পাওয়ার অফ ট্র‌্যাকিং

বলে রাখি যে এই ফিচারটি এখনো সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সচরাচর হয় নাই। পিক্সেল ৮ এর পরবর্তী মডেল গুলোতে এই ফিচারটি দেখা যায়।







ফাইন্ড মাই ডিভাইস ব্যবহারের আগে যা যা করতে হবে

আপনার মোবাইলে এই সার্ভিসটি ব্যবহার করার জন্য কিংবা এই সার্ভিসটি একটিভ করার জন্য আপনাকে আগে থেকেই কিছু করতে হবে।

অর্থাৎ আমি আগেই বলেছি যে চুরি হবার পর এই ফিচারটি যদি আপনার মোবাইলে না থাকে তবে আপনার এই পোস্টটি কাজে আসবে না।

এ সার্ভিসটি আপনার মোবাইলে সব সময় চালু রাখতে হবে। এজন্য সর্বপ্রথম আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে ফাইন্ড মাই ডিভাইস অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে।

ডাউনলোড করার পরে সেখানে আপনার একটা জিমেইল দিয়ে সাইন ইন করে নিবেন।













إرسال تعليق

InfoNest BD Welcome to WhatsApp chat
Howdy! Get Your Digital Problem Solver!
Type here...